বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির নিকট আনা অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো গণশুনানিতে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সম্প্রতি প্রকাশিত র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

ক্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণশুনানি ছাড়াই সরকারি কোম্পানির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি। একইভাবে, ন্যায্যতা প্রমাণিত না হলেও পদ্মা তেল কোম্পানির জেট ফুয়েল বিক্রির চার্জহার বাড়ানো, নতুন ও বিদ্যমান শিল্পে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং শিল্প ভোক্তাদের জ্বালানি সুবিচার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

ক্যাবের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিইআরসি আইন ২০০৩-এর ধারা ২২(খ), ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে ভোক্তার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কমিশন তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।

এ প্রেক্ষিতে গত ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্যাব চিঠি দিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্যকে অপসারণ এবং আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদানের দাবি জানায়।

ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ (আবাস) এক বিবৃতিতে বলেন, অতীতে বিইআরসি যেভাবে আইন ভঙ্গ করে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, বর্তমান কমিশনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো গণশুনানিতে অংশ নেবে না ক্যাব।

উল্লেখ্য, আগামী ০৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সার শ্রেণীর গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণশুনানিতেও ক্যাব অংশগ্রহণ করবে না।

এমআর