শেখ মুজিবুর রহমান রক্ষীবাহিনী গঠনের মাধ্যমে তৎকালীন ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার অন্তরে কখনোই বাকশালের বাইরে অন্য কোনো চেতনা ছিল না। শেখ মুজিব সাহসিকতার সঙ্গে সাংবিধানিকভাবে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আর শেখ হাসিনা সেই বাকশালকে গণতন্ত্রের মুখোশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা হিসেবে বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলেন। ভোটের নামে প্রহসনের মধ্য দিয়েই এই একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে।”
শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনের মাল্টিপারপাস হলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল আয়োজিত “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর” উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইতিহাসের ব্যাখ্যা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এই দেশের মানুষ শেখ মুজিবের মাধ্যমে মুক্তি চেয়েছিল—অর্থনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মুক্তি। কিন্তু তিনি সেই জনগণের অধিকারকে কবর দিয়েছেন, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন, দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করেছেন। আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত তাদের রক্তে, চেতনায় বা ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই।”
আলোচনা সভায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১:০৩ অপরাহ্ণ