দেড় সহস্রাধিক বাইকে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা করেছেন চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা সদরস্থ বাসস্ট্যান্ড থেকে এই শোভাযাত্রা বের হয়।

হঠাৎ করে উপজেলাবাসীকে চমক দেখালো জামায়াত ইসলাম ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখা কমিটি। দীর্ঘ প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা করে উপজেলা রাজনীতিতে নতুন করে হিসাব কষতে হচ্ছে। মটর শোভা যাত্রাটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার অতিক্রম করে।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও চাঁদপুর জেলা আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজী মোটর শোডাউন করেছেন। র‌্যালি চলাকালে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চান। একই সঙ্গে জামায়াতের সমর্থনে কালেমার পতাকা, জাতীয় পতাকা ও জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক উড়িয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতা-কর্মীরা।

র‌্যালী পূর্বে বিল্লাল হোসেন মিয়াজী সাংবাদিকদের বলেন, “দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিলে আগামীর বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না। শান্তিপূর্ণ সমাজ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে গুরুত্বের সাথে ভূমিকা রেখেছে। রাজনীতির পরিচয়ে অনেক নেতাকর্মীরা যখন মানুষকে নানান ভাবে হয়রানি করেছে, ঠিক সে সময়ে আমাদের নেতাকর্মীরা পাহারাদারের ন্যায় মানুষের পাশে থাকার কারনে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী ও নৈরাজ্য কমে এসেছে।”

তিনি আরো বলেন, “ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ করেছি যে, নারীদের নিয়ে কুচক্রি মহল বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে। জামায়াত ইসলামী নাকি নারীদের ঘর থেকে বের হতে দিবেনা, এ কথা সম্পন্ন রুপে গুজব ও কু-চক্রি মহলের উদ্দেশ্য প্রনোদিত প্রচার। প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধ পরিকর। আমরা নারীদেরকে ঘরে বসিয়ে রাখবো না, নারীদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের নিজ পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করবো। নৈতিকভাবে তারা যেন নিজের মান সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে, নারীদেরকে সেই ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। আমরা শাসক নয়, জনগণের সেবক হতে চাই। উন্নয়ন ও সব ভালো কাজের সঙ্গে থাকব।”

এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা সহকারী সেক্রেটারী ও আসন পরিচালক অধ্যক্ষ মো: হারুন আর-রশিদ, উপজেলা আমীর মাওলানা ইউনুছ হেলাল, পৌর আমীর মাও: মিজানুর রহমান, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, পৌর সেক্রেটারী ফখরুল ইসলাম।