পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মৃত্যু নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। মূলত ভারত ও আফগানিস্তানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এই গুজব ভিত্তিহীন খবরটি প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশ-বিদেশে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

ইমরান খানের বোন নরীন খান, আলীমা খান ও উজমা খান জানান— তারা রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশের হাতে মারধরের শিকার হন।

তাদের দাবি —

“আমরা শুধু ভাইয়ের দেখা চাইছিলাম, কিন্তু আমাদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়েছে।”

পরিবারের অভিযোগ—
গত তিন সপ্তাহ ধরে ইমরান খানের সঙ্গে বোনদের সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ধারণা ছড়িয়েছে, ইমরান খান হয়তো কারাগারে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায়, ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) বিবৃতির মাধ্যমে দাবি জানায়— সরকার যাতে ইমরান খানের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি প্রকাশ করে। পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার হয় এবং গুজব ছড়ানোর কারণ তদন্ত করার দাবিও করা হয়।

২০২৩ সাল থেকে ইমরান খান বন্দি আছেন রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে। কিন্তু স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে সরকারের নিরবতা আরও প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে পাকিস্তানজুড়ে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই জানতে চাইছেন —
ইমরান খান কি এখনও জীবিত? সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি, ফলে উদ্বেগ ও জল্পনা আরও বাড়ছে।

এই মুহূর্তে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। সরকারি পক্ষ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য না আসা পর্যন্ত গুজব ও বিভ্রান্তি আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকেরা।