চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহ আমানত হলের সামনে অস্ত্রধারী এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হল ছাত্রসংসদ। তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর দুই দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে শনাক্ত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গড়িমসি করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ১৯ মে বিকেল চারটার দিকে শাহ আমানত হলের ফটকের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন হল ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আবিদুর রহমান ও অন্য নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রসংসদের নেতারা বলেন, গত ১৭ মে রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরপরই তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্তের আহ্বান জানান। পরে প্রশাসন, প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্র প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ফুটেজে অস্ত্রধারী ব্যক্তির হলে প্রবেশ ও বের হওয়ার দৃশ্য দেখা গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক আপডেট বা দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের নীরবতা ও দেরিতে পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফুটেজ প্রকাশ বা পর্যবেক্ষণে গড়িমসি করেছে।
পরে প্রক্টর, প্রভোস্ট, হাউস টিউটর, চাকসু ও হল সংসদ প্রতিনিধিদের বৈঠকে প্রশাসন তদন্তের আশ্বাস দেয় বলে জানান তারা। একই সঙ্গে ফুটেজে অস্ত্রধারী ব্যক্তির হলে প্রবেশ ও বের হওয়ার দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেছে বলেও দাবি করেন ছাত্রসংসদের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শাহ আমানত হল ছাত্রসংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) আলী আহছান মো. মুজাহিদ, রিডিং রুম, ডাইনিংরুম ও হল লাইব্রেরি সম্পাদক জয় মিয়া, দপ্তর সম্পাদক আইমান বিন কামাল, স্বাস্থ্য সম্পাদক আশ্রাফুল এলাহী চৌধুরী, বিজ্ঞান, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী সদস্য জাওয়াদ ইবনে জিহাদ, ফুরকান উদ্দিন ও আব্দুল্লাহ আল রায়হানসহ অন্যরা।
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ