আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্য ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি), বাংলাদেশের ১৫তম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচারণা, সদস্যদের অংশগ্রহণ এবং মতবিনিময়ে সংগঠনজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

সদস্যরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব বাছাই নয়; বরং টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অধিকার, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও সংগঠনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

বুটেক্সের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাইদুজ্জামান বলেন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য যুগোপযোগী বেতন কাঠামো, বিসিএস ক্যাডার সৃষ্টি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আইটিইটির কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সদস্যরা এখন প্রার্থীদের যোগ্যতা ও কর্মপরিকল্পনাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক জাকারিয়া ইসলাম ঝিকু বলেন, কর্মসংস্থান, পেশাগত অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সরকারি টেক্সটাইল কলেজগুলোর শিক্ষক সংকট নিরসনে নতুন নেতৃত্বকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বুটেক্সের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের টেকনিক্যাল অফিসার মো. আমজাদ আলী বলেন, তরুণ প্রকৌশলীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ বাড়াতে নতুন নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, সদস্যদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

এসকিউ গ্রুপের মার্চেন্ডাইজার ও আইটিইটি সদস্য আরমান ইসলাম বলেন, সংগঠনটি যেন অরাজনৈতিকভাবে টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের পেশাগত উন্নয়ন, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তায় কাজ করে। তিনি যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বগুণকে ভোটের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

সদস্যদের প্রত্যাশা, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উৎসবমুখর এই নির্বাচন শেষে নতুন নেতৃত্ব সংগঠনের ঐক্য অটুট রেখে টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।