যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতার আওতায় ইরানের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড় করা হবে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

সোমবার (২২ জুন) তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গালিবাফ বলেন, জব্দকৃত অর্থ দুই কিস্তিতে ছাড় করা হবে। তবে চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ইরানের তেল খাতের ওপর প্রধান নিষেধাজ্ঞাগুলো বহাল থাকবে। ফলে তেল রপ্তানি ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যেতে বিশেষ ছাড় (ওয়েভার) প্রয়োজন হবে, যা ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক আলোচনায় ইরানের তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল, জব্দকৃত অর্থ মুক্ত করা, হরমুজ প্রণালি এবং লেবানন পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

গালিবাফের ভাষ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সমন্বয় কেন্দ্র গঠনের বিষয়েও নীতিগতভাবে একমত হয়েছে দুই পক্ষ। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালিতে নতুন সমন্বয় কাঠামো তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এর আগে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রথম ধাপ শেষে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানোর খবর পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা ৬০ দিনের জন্য শিথিল করার ঘোষণা দেয় মার্কিন কর্তৃপক্ষ।