চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও এডুম্যাক্স কনসালটেন্সির সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এক্সপো ২০২৬’ শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এ এক্সপোর উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এডুকেশন এক্সপোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, একাডেমিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, স্কলারশিপ ও নিজস্ব অর্থায়নে পড়াশোনার সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবে। কোন বিষয়ে বা কোন ক্ষেত্রে তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সুযোগ রয়েছে, সে সম্পর্কেও তারা ধারণা পাবে।

উপাচার্য আরও বলেন, এসব তথ্য ও দিকনির্দেশনা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, জ্ঞান অর্জন, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান তাঁরা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমরা যদি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করি, তাহলে তাদের শিক্ষার মান, দক্ষতা ও যোগ্যতা যত উন্নত হবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের সুযোগও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।’

উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। এ ধরনের উদ্যোগ প্রমাণ করে, শিক্ষার্থীরা শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন এবং উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ সম্পর্কে জানতে ও নিজেদের প্রস্তুত করতে আগ্রহী।

দুই দিনব্যাপী এ এক্সপোতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, ভর্তি প্রক্রিয়া ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বিষয়ে তথ্য দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ পরামর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে উচ্চশিক্ষার বিষয়ে দিকনির্দেশনা নিচ্ছেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক্সপোর অংশ হিসেবে শিক্ষক ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন। এতে চাকসুর প্রতিনিধিদের পাশাপাশি এডুম্যাক্স কনসালটেন্সির কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী আয়োজনে চবি শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা গেছে।