চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে অনুমোদন পাওয়া ১২ জনের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন রনি ও সেক্রেটারি হাবিব উল্লাহ খালেদ এক যৌথ বিবৃতিতে এসব অভিযোগ তুলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের নেতারা দাবি করেন, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাওয়া ১২ জন কর্মচারীর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে। তাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিহত চবি শিক্ষার্থী হৃদয় তরুয়া ও ফরহাদের ক্যাম্পাসে নতুন করে ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের’ নিয়োগের খবর তাদের মর্মাহত করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, আঞ্চলিক প্রভাব, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ার সুযোগ নেই। নিয়োগের ভিত্তি হওয়া উচিত যোগ্যতা, মেধা ও প্রযোজ্য বিধিবিধান। তবে সংগঠনটির অভিযোগ, উপাচার্যের এলাকা ও দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো কর্মীকে ক্যাম্পাসে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তারা অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক ও দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।

বিবৃতিটি স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহান।