‘চাকরির পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা দেওয়ার আগেই যাচাই করেন, সে জিয়ার সৈনিক কি না।? যদি সে জিয়ার সৈনিক না হয়, তাহলে তাকে আগেই বাদ দিয়ে দেন’—দলীয় সরকারকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড প্রাঙ্গণে রাকসু কর্তৃক আয়োজিত সরকারি চাকরিকে দলীয়করণের উদ্দেশ্যে ভেরিফিকেশনের নামে পাশকৃত প্রার্থীদের অবৈধভাবে বাতিলের প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আবেগ নিয়ে খেলার জন্য এত দেরি করার দরকার নেই। আপনার যদি ভেরিফিকেশনটা এত দরকার হয়, তাহলে যখন পরীক্ষা দেবে, অনার্স সম্পন্ন করে যখন সে পরীক্ষা দেবে, তখন আপনি দেখেন সে আপনার জিয়ার সৈনিক কি না। যদি জিয়ার সৈনিক না হয়, তাহলে তাকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার দরকার নেই। একজন প্রার্থী প্রিলিমিনারি, রিটেন, তারপর ভাইভাতে গিয়ে সবকিছু কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পর আপনার ভেরিফিকেশন নামের মূল ছড়ানোর কি দরকার আছে?

জিএস আম্মার বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের একমাত্র লক্ষ্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের একমাত্র লক্ষ্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া। তাদের সন্তানেরা আমেরিকায় পড়াশোনা করবে। রাষ্ট্রের প্রত্যেকটা জায়গায় জায়গায় তারা তাদের দলীয়করণ করে নজিরবিহীন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির জায়গা তারা তৈরি করছে।

এ সময় রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর স্বৈরাচারী আচরণ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বোবা কান্না আমরা দেখেছি। এই বোবা কান্না যদি তারেক রহমানের কানে না পৌঁছায়, শিক্ষার্থীদের কান্না তারেক রহমানের মসনদ কাঁপিয়ে দেওয়ার আগেই আজকে এখানে উপস্থিত হয়েছি। ভেরিফিকেশনের নামে দলীয়করণের পাঁয়তারা বন্ধ না করলে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা আপনাদের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।

প্রসঙ্গত, এ সময় রাকসু, বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।