পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : চবি উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বর্তমানে সারা বিশ্বেই দৃশ্যমান। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব।
বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদ-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চবি প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) যৌথভাবে এবং ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম।
উপাচার্য বলেন, প্রায় ২ হাজার ৩৫০ একর আয়তনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রায় ৮৫ শতাংশই পাহাড়ি এলাকা এবং সবুজে ঘেরা। এ প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
তিনি জানান, চলতি বছর ইতোমধ্যে ১১ একর এলাকায় বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পুরাতন গোডাউন এলাকায় আরও ১৪ একর পাহাড়ি অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু হবে। সব মিলিয়ে এ বছর ২৫ একর জমিতে প্রায় ২৫ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট।
উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মিত হয়নি। আবাসনসংকট নিরসনে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একাধিক নতুন আবাসিক হলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি পরিবেশের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যেতে চায়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাছান মিয়া, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক তাহসিনা রহমান, চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল আহাদ, অন্যান্য প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।








আপনার মতামত লিখুন