খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ: একই ছাদের নিচে ইবাদতের ঠাঁই আড়াই হাজার মুসল্লির

জিয়াউর রহমান জিসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
রাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ: একই ছাদের নিচে ইবাদতের ঠাঁই আড়াই হাজার মুসল্লির

বড় এক গম্বুজের আদলে অপূর্ব স্থাপত্য। দেয়ালের ফাঁক গলে ভেতরে প্রবেশ করে নরম আলো, আর খোলা পরিসরে অবাধে ঘুরে বেড়ায় বাতাস। ক্যাম্পাসের কোলাহল পেরিয়ে এখানে পা রাখলেই যেন মন ছুঁয়ে যায় এক অনাবিল প্রশান্তি।

বলছিলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কথা। প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন, ইসলামি জ্ঞান, দর্শন, সংস্কৃতি ও চর্চার কেন্দ্র হিসেবে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এর আধুনিক স্থাপনা ও সুন্দর স্থাপত্যনকশা ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে করেছে অতুলনীয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পেরোতেই চোখে পড়ে প্রশাসনিক ভবন। এ ভবনের ডান দিকে একটু সামনে গেলেই চোখে পড়ে মুসলিম স্থাপত্যের আদলে নির্মিত সুউচ্চ মিনার। এর পাশেই অবস্থিত কেন্দ্রীয় মসজিদটি। কারুকার্যে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বাড়িয়ে সৃষ্টি করেছে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের।

মসজিদে প্রবেশ করতেই প্রাণ জুড়িয়ে যায় মুসল্লিদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীসহ নামাজ পড়তে আসেন হাজারো মুসল্লি। মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে চারদিকে স্থাপন করা হয়েছে লাইটপোস্ট। নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনাও। সুবিশাল অভ্যন্তরীণ এই মসজিদে নেই কোনো পিলার। মূল কাঠামোর মধ্যবর্তী স্থানে ওপরে নির্মাণ করা হয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। শ্বেত-শুভ্র ঝাড়বাতিগুলো এতই মনোরম যে, নির্মাণের প্রতিটি স্তরের সঙ্গে তা একেবারে মিশে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭০ সালের ১৩ এপ্রিল প্রায় তিন একর জায়গায় এই মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে। এর মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য ৫২ গজ ও প্রস্থ ৫২ গজ। তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের নকশাপ্রণেতা ‘থারিয়ানি’র নকশার আলোকে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে। রাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটির নির্মাণব্যয় তৎকালীন সময়ে ৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরে কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় আট লাখ টাকা।

মসজিদের বারান্দা ও বারান্দার বাইরের যে অংশ রয়েছে, তা মূল কাঠামোর প্রায় দ্বিগুণ। মূল ভবনের অভ্যন্তরে প্রায় ৫০০ মুসল্লির ধারণক্ষমতা রয়েছে। তবে বাইরের ফাঁকা জায়গাসহ এই মসজিদে প্রায় আড়াই হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের আঙিনাকে মূল ক্যাম্পাস থেকে পৃথক রাখা ও পবিত্রতা রক্ষার্থে চারপাশে রয়েছে দেয়াল। আঙিনাজুড়ে রয়েছে সারিবদ্ধ ঝাউগাছ। দক্ষিণ-পূর্ব পাশে রয়েছে ফোয়ারা, নারী-পুরুষের জন্য পৃথক অজুখানা, অফিসকক্ষ, শৌচাগার ও ইমামের থাকার ব্যবস্থা। এছাড়া রয়েছে হরেক রকমের ফলের গাছ ও ঈদগাহ।

মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ইমাম ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মাওলানা জামাল উদ্দিন। মসজিদে একজন সিনিয়র পেশ ইমাম ও একজন মুয়াজ্জিন দায়িত্ব পালন করছেন। মসজিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানের জন্য রয়েছেন দুজন সহকারী রেজিস্ট্রার ও একজন সেকশন অফিসার। মসজিদের অজুখানার পাশেই রয়েছে সমৃদ্ধ পাঠাগার। পাঠাগারটি মুসল্লিদের জন্য আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত খোলা থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম কেন্দ্রীয় মসজিদের সার্বিক সৌন্দর্য তুলে ধরে বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদটি অনেক সুন্দর। প্রতিদিন এখানে শত শত মুসল্লির সমাগম হয়। ক্যাম্পাসে যারা ঘুরতে আসেন, তারা একবার হলেও মসজিদটিতে নামাজ পড়ে যান। আমি মনে করি, রাবি ক্যাম্পাসের অন্যান্য সব দৃষ্টিনন্দন জায়গার মধ্যে কেন্দ্রীয় মসজিদ অন্যতম।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ সোবহান বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সুন্দর একটি স্থান। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাইরের অনেক মানুষও প্রতিনিয়ত নামাজ আদায় করতে আসেন। মসজিদটি এর ভিন্নধর্মী স্থাপত্যশৈলীর জন্য বেশ পরিচিত। কারণ, এর আগে আমি এ ধরনের স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ আর দেখিনি। এছাড়া মসজিদের ইমাম সাহেবের সুন্দর তিলাওয়াত শোনার জন্য এবং তাঁর ইমামতিতে ধীরস্থিরভাবে নামাজ আদায় করার জন্যও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে এখানে নামাজ পড়তে আসেন। সব মিলিয়ে, এই মসজিদটিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাণকেন্দ্রও বলা যায়।”

মসজিদটিতে বর্তমানে সিনিয়র পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাওলানা ফাহিম মাহমুদ। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি মাদরাসা শিক্ষায়ও পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। তিনি বলেন, “মসজিদটির ভেতরের অংশ তুর্কি স্থাপত্যশৈলীতে নকশা করা। একসময় মসজিদে জুমার নামাজে খুব ভিড় হতো, যা মুসল্লিদের জন্য কষ্টকর ছিল। তবে বর্তমানে তা হয় না। কারণ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা, বিজয়-২৪ ও মতিহার হলে জুমার নামাজ চালু হওয়ায় মুসল্লিদের চাপ অনেকটাই কমে গেছে।”

মসজিদের দু’পাশে নামাজের স্থান সম্প্রসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, “সম্প্রসারিত নামাজের স্থান মূল মসজিদের সৌন্দর্যে কোনো ব্যাঘাত ফেলবে না; বরং দূর থেকে তা দেখতে মসজিদের একটি অংশের মতোই মনে হবে। মূল মসজিদের সঙ্গে সমন্বয় করেই এটি তৈরি করা হচ্ছে।”

তবে এতকিছুর পরেও ঐতিহ্যের এই প্রাণকেন্দ্রে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে বলে জানান মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা। তারা বলেন, মসজিদের পাশেই রয়েছে শহীদ মিনার ও মুক্তমঞ্চ। প্রায়ই আসর ও মাগরিবের সময় এই মঞ্চে উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এর কারণে নামাজরত মুসল্লিরা মারাত্মক অসুবিধায় পড়েন।

এছাড়া এখানে শৌচাগার ও অজুর জন্য যে ব্যবস্থা রয়েছে, তা মুসল্লিদের জন্য অপ্রতুল। শৌচাগারগুলোর অধিকাংশই ব্যবহারের অনুপযোগী। অজুখানায় মাত্র ৪২ জন একসঙ্গে অজু করতে পারেন। এ সময় দ্বিগুণসংখ্যক মুসল্লিকে অজু করার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেক মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন না। এ কারণে মসজিদের ফোয়ারার চারপাশে অজু করার ব্যবস্থা করা হলে সমস্যা কিছুটা হলেও দূর হবে বলে জানান তারা।

একই সঙ্গে মসজিদের পাঠাগারটিকে আরও সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বইয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে পাঠাগারটি উন্নত করার পাশাপাশি অধ্যয়নের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন মসজিদের ইমাম। এদিকে, মসজিদের পাঠাগারটি আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত খোলা থাকলেও জোহরের নামাজের পর থেকে এশার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন মুসল্লিরা।

এছাড়া জুমার নামাজে অতিরিক্ত মুসল্লির চাপে বারান্দায় যারা নামাজ আদায় করেন, তাদের রোদে কষ্ট করে নামাজ পড়তে হয়। এক্ষেত্রে বারান্দায় ছাদ নির্মাণ করা হলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে করেন মুসল্লিরা।
তবে বর্তমানে মূল মসজিদের দক্ষিণ পাশে নারীদের জন্য আলাদাভাবে মসজিদ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মসজিদের উত্তর পাশে পুরুষদের নামাজের স্থান সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

লেখক-

জিয়াউর রহমান (জিসান)
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

একাডেমিক কাজে এআই এর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

সাদিক মাহমুদ সিয়াম, বিএমইউ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
একাডেমিক কাজে এআই এর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) দায়িত্বশীল ও কার্যকর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘Working Smarter with AI: Practical Productivity for Academics’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আয়োজিত সেমিনারটির আয়োজন করে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও একাডেমিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সেমিনারে মূল বক্তা ও রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন লন্ডনে Wipro Ltd.-এর পরিচালক এনামুল হক। তিনি শিক্ষাদান, গবেষণা, একাডেমিক লেখালেখি ও প্রশাসনিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরেন।

সেমিনারে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, গবেষণার সততা, তথ্যের গোপনীয়তা এবং এআই ব্যবহারের তথ্য প্রকাশসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও প্রয়োজনীয়তা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনের মাধ্যমে সাহিত্য পর্যালোচনা (Literature Review), নথি বিশ্লেষণ, একাডেমিক লেখালেখি এবং গবেষণা ব্যবস্থাপনায় এআই এর ব্যবহারিক প্রয়োগ তুলে ধরা হয়।

পরে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তা। প্রশ্নোত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে সেমিনারটি শেষ হয়।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এআই এর কার্যকর ব্যবহার এবং একই সঙ্গে এর নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করার বিষয়ে সেমিনারে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত Rabbi's News


শীর্ষ সংবাদ:
একাডেমিক কাজে এআই এর ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার লিডারস প্রোগ্রাম সম্পন্ন করলেন সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান তুহি পবিপ্রবির ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনে বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম চবিতে কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ, ৩ জনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন, কমেছে গ্যাসের সরবরাহ বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মালয়েশিয়াকে আহ্বান ডিসিসিআই সভাপতির জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি গণঅধিকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ডিসেম্বরে হরতালের হুঁশিয়ারি জেডিপির চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে মতামত নেওয়া হবে অংশীজনদের জাপান-বাংলাদেশ চেম্বারের নতুন সভাপতি কাজুউকি কাতাওকা, মহাসচিব রাবিউল আলম এপোক্সাইড রেজিনের নামে প্রস্তুত আঠা, বেনাপোলে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা চবিতে ৫০০ বৃক্ষ বিতরণ, প্রয়াত অনিককে স্মরণ ফরিদগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রিমন গ্রেপ্তার শাহরাস্তি শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজে একাদশের উদ্বোধনী ক্লাস শাহরাস্তিতে বেরনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন স্থগিত ১৮তম বিজিএস-এ ববির তিন শিক্ষার্থী সিভিল জর্জ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত পবিপ্রবিতে মার্কেটিং ক্লাবের আয়োজনে মার্কেটিং বিস কেস কম্পিটিশন কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত চবিতে ৫ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর উদ্যোগ অথেন্টিক ফাউন্ডেশনের শাহরাস্তিতে অবৈধ মাটি কাটায় ২ লাখ টাকা জরিমানা