প্রতিদিন অন্তত ২০ পৃষ্ঠা বই পড়ার অভ্যাস গড়ার আহ্বান চিত্ত মিডিয়ার জুয়েলের

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্টাতা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল রানা বলেছেন যে, পড়াশোনা, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে মনোযোগী হতে হবে এবং প্রতিদিন অন্তত ২০ পৃষ্ঠা বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং নিজের পছন্দ ও ভালো লাগার জায়গা খুঁজে নিতে হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ইবি আইএএএস বাংলাদেশ ও কামরুন অ্যাগ্রো ফার্মের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক সামিটে প্রধান বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও বলেন যে, পরিবার ও কাছের মানুষদের গুরুত্ব দেওয়া খুবই প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখে নিজের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না। চাকরি, অর্থ ও পদ-পদবিকে জীবনের একমাত্র সাফল্য না ধরে নিজেকে ভালো রেখে দায়িত্ব পালন এবং জীবনের ছোট ছোট আনন্দ, প্রকৃতি, বৃষ্টি, জোছনা, বই ও প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো, উপভোগ করতে হবে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের সরলতা ও মানবিকতাও ধরে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
পাশাপাশি তিনি তরুণদের নতুন চিন্তা, উদ্ভাবন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বাবলি সাবিনা আজহার, আইএএএস বাংলাদেশের ন্যাশনাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা জামাল, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকতিয়ার উদ্দিন, গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড.মিনারা খাতুন, কোয়াজি কনসালট্যান্টসের পার্টনার এবং কর্পোরেট ট্রেইনার অধ্যাপক ড. আরিফুজ্জামান এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মফিজুর রহমান জাহাঙ্গীর।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত কৃষির পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই কৃষির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞান মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা। একইসাথে কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষি অর্থনীতি, কৃষিভিত্তিক ব্যবসা, নতুন উদ্যোগ ও সহজ অর্থায়নের সুযোগ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।







আপনার মতামত লিখুন