চবির কাঁটাপাহাড় সড়কে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রবেশপথ কাঁটাপাহাড় সড়কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কাঁটাপাহাড় সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকেরা জানান।
কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, প্রচার সম্পাদক ও শাহজালাল হলের এজিএস ইমতিয়াজ জাবেদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাসনান বিন হুদা ও মামুন, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আতাহার হোসেন ইসতিয়াক, সদস্য শুভ শেখ এবং কর্মী রাকিবুল ইসলাম স্মরণ, কমল, মারুফ, সাইফুল, আলিফ, সৃজন, সাইদুল, আকিব ও জুনাঈদ জায়ীনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্যও পরিচিত। এই সবুজ পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।’
তিনি বলেন, ‘বৃক্ষ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’
কর্মসূচির বিষয়ে ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ও শাহজালাল হলের এজিএস ইমতিয়াজ জাবেদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথ কাঁটাপাহাড়ের মনোরম দৃশ্য মানুষের মনকে প্রশান্ত করে। কিছুদিন আগে কৃত্রিম সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যথাযথভাবে ফুটে ওঠেনি। রাস্তার পাশে থাকা অনেক গাছপালাও অযত্নে নষ্ট হয়ে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁটাপাহাড়ের পুরো অংশে বিভিন্ন জাতের ফুল ও গাছের চারা রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে সড়কটির হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। আমরা চাই, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথ কাঁটাপাহাড় আবারও তার স্বাভাবিক সবুজ সৌন্দর্য ও নান্দনিকতায় সবার নজর কাড়ুক।’
কর্মসূচিতে শিউলি, মাধবীলতা, রাধাচূড়া, বেলি, রঙ্গন ও হাসনাহেনাসহ বিভিন্ন ফুলের গাছের চারা রোপণ করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, চারা রোপণের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে এসব গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে কাঁটাপাহাড় সড়কের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।







আপনার মতামত লিখুন