খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারাজীবন কচুয়ার মানুষের পাশে থাকতে চাই : হাবীবুল বাশার (চাঁদপুর-১) সাক্ষাৎকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সারাজীবন কচুয়ার মানুষের পাশে থাকতে চাই : হাবীবুল বাশার (চাঁদপুর-১) সাক্ষাৎকার

ছাত্রদল কেন্দ্রিয় সংসদ এর সহ-সভাপতি হাবীবুল বাশার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সভাপতি ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হাবীবুল বাশার।

মঙ্গলবার ৭ অক্টোবর ভবিষ্যৎ কচুয়ার শিক্ষা, সামাজিক এবং বিভিন্ন উন্নয়ন পরিক্লপনা নিয়ে কথা বলেছেন খবরবেলা’র সাথে। স্বাক্ষাৎকার এর বিস্তারিত তুলে ধরা হলো-

খবরবেলা: হাবীবুল বাশার কেমন আছেন আপনি?

হাবীবুল বাশার: আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর দয়ায় ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

খবরবেলা: প্রথমে আপনার পরিচয় জানতে চাই আপনার পূনাঙ্গ নাম কি

হাবীবুল বাশার: আমার নাম হাবিবুল বাশার এলাকায়,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনৈতিক অঙ্গনে সবাই আমাকে বাশার নামে ডাকে।

খবরবেলা: আপনি প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পড়া-শুনা করেছেন কোথা থেকে?

হাবীবুল বাশার: আমি সেংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি, পালাখাল মাদ্রাসা থেকে দাখিল, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা করেছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএসএস, এমএমএস, এমফিল, এবং এখন পিএইচডি করছি।

খবরবেলা: পিতা-মাতার কত তম সন্তান আপনি?

হাবীবুল বাশার: আমি আমার পিতা মাতার ৪র্থ সন্তান।

খবরবেলা: আপনার বাবা-মা কি করেন?

হাবীবুল বাশার: আমার বাবা ব্যাবসা এবং কৃষি কাজ করতেন। তবে এখন বাড়িতেই আছেন, আমার অপেক্ষায় থাকেন, আমার জন্য দোয়া করেন।

খবরবেলা: আপনি রাজনীতিতে কখন আসলেন এবং কার অনুপ্রেরনায় আসলেন?

হাবীবুল বাশার: আমি ছোট বেলা থেকেই একটু পর উপকারী এবং স্বাধীন চেতা অত্যন্ত ডানপিটে স্বভাবের ছিলাম। আমি ছোট বেলায় বিএনপিকে ভালোবাসতাম কারণ, আমার পরিবার বিএনপিকে ভালোবাসত, আমর স্পষ্ট মনে আছে, ছোট বেলায় যখন বাজারে যেতাম তখন বাজার থেকে জিয়াউর রহমানের কালো সানগ্লাস, মাথায় ক্যাপ গলায় তাবিজ পড়া কাঁদা মাখা পা ছড়ানো ছবির ক্যালেন্ডার দুই টাকা দিয়ে কিনে আমার পড়ার টেবিলে টানিয়ে রাখনতাম।

তারপর যখন একটু বড় হতে লাগতাম তখন দেখতাম যারা আমার এলাকায় রাজনীতি করে তারা আসলেই কেমন যেন, আমি চিন্তা ভাবনা করতাম আমি তাদের চেয়ে ভালো রাজনীতি করব, তাদেরকে যদি পরিবর্তন করতে চাই তাহলে আমাকে তাদের উপরে পোস্ট পজিশন পেতে হবে। একটা আমার অনুপ্রেরণা বলতে পারেন।আর এটা হলো আমার অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়।

খবরবেলা: ছাত্র রাজনীতিতে এত বড় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ এর মুখে পড়েছেন?

হাবীবুল বাশার: সত্যি আমার সরাসরি ছাত্র রাজনীতি শুরু হয় এইচএসসিতে পড়ার সময়, ২০০৪ সালে আমি যখন এ+ নিয়ে ঢাকা কলেজে ভর্তি হই তখন ঢাকা কলেজের ছাত্র দলের সভাপতি জাহিদ ভাই ( এখন লন্ডন প্রবাসী) এবং সম্পাদক আনিসুর রহমান সুজন ভাই, আমার বাড়ি চাঁদপুর হওয়ায় আমি নোয়াখালী বেল্টে বাঁধা পড়ি তখনকার সাংগঠনিক সম্পাদক / সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ কামাল ভাই, রাসেল ভাইয়ের সাথে রাজনীতি শুরু করি, তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ একটা সময় নোয়াখালী গ্রুপের রাজনৈতি করি, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আহবায়ক নির্বাচিত হই।

তারপর এখন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। আমি এখন খুলনা বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ টিমের টিম লিডার, আমি এটাকে এনজয় করছি, কমিটি দিতে গিয়ে বিশেষ করে ৫ আগস্টের আগে ও পরে ভিন্ন আবাহ তৈরি হয়েছে। এখন এটাকে সত্যিকারের দলের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে আমি আমার কাজটা করতে পারলেই আমি মনে করবো আমাকে যে দল আমানত দিয়েছে আমি সেই আমানত পালন করছি।

খবরবেলা: আগামী দিনে রাজনীতি নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

হাবীবুল বাশার: আমি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ, আমি সবসময়ই স্বপ্নদেখি, মানুষের জন্য কাজ করা, আপনি যদি কারো জন্য কাজ করেন, দেখবেন এতে একটা মানুষিক প্রশান্তি কাজ করে, ভালো লাগা কাজ করে। আমি বিএনপিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি, এইদলটা সাধারণ মানুষের দল, জিয়াউর রহমানের দল, তার একটা ইজম বা বাদ আছে সেটা হলো জাতীয়তাবাদ একেবারে সংক্ষেপে সবার আগে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষের সাথে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকা।

খবরবেলা: জুলাই বিপ্লবের পরে আপনি অনেক ধরনের সামাজিক কাজ করেছেন কচুয়াতে এসব কি লোক দেখানো?

হাবীবুল বাশার: দেখেন, কচুয়ার মানুষের জন্য আমি সবসময়ই কাজ করি, বিগত সময়ে আমার পক্ষে যেসব কাজ করা সম্ভব আমি কাজ করেছি, যেমন আমার সবচেয়ে বেশি কচুয়ার মানুষের চাওয়া হলো চিকিৎসা, ঢাকায় কেউ আসলেই তার জন্য হাসপাতালে ভর্তি প্লাস একটা সিটের ব্যাবস্থা করা, তারপর অপারেশন হলে রক্ত সংগ্রহ করা। এটাই কচুয়ার মানুষের চাওয়া, আপনি এটা করতে পারলে তারা আপনার জন্য সব করতে পারে এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।

এখন এসে আমি শিক্ষার মান উন্নয়নে, মাদকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য খেলা ধুলা। কৃষি ও পরিবেশ বান্ধব অনেক সামাজিক কাজ করছি, এটা আমার দায়িত্ববোধ থেকে করছি, সামনে আমি প্রতিটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় ইংরেজি এবং গনিতে কিভাবে ভালো করা যায়, সেইটা নিয়ে আমি সরাসরি ক্লাস নিবো। আমি কিন্তু ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এবং সেইন্ট জোসেফ স্কুলের ছাত্রদের একজন ভালো শিক্ষক, আমার স্টুডেন্ট কিন্তু কুয়েট, চুয়েটে আছে। আমি কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবাধিকার নিয়ে আগামীতে কচুয়ায় কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

খবরবেলা: আমরা জেনেছি আপনি আগামী দিনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী, আপনার কি মনে হয় দল আপনাকে কেনো মনোনয় দিবে?

হাবীবুল বাশার: আপনি যা শুনেছেন সত্যি শুনেছেন। বিগত দুই যুগের মতো বিএনপি ক্ষমতার বাইরে, এই দীর্ঘ সময় আমি আমার দলের জন্য সর্বোচ্চ কাজ করেছি, এবং কাজ করতে গিয়ে বার বার আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ, যুবলীগ, পুলিশ লীগের হাতে মার খেয়েছি, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি, আবার মাঠে নেমেছি। হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ করতে গিয়ে বার বার জেল খেটেছি, মামলা খেয়েছি, গুম হয়েছি, ক্রস ফায়ার থেকে ফিরে এসেছি, টিয়ারগ্যাস খেয়েছি।

এমনকি আমাদের নেতৃত্বে স্বৈরাচার হাসিনা পালিয়েছে, সেখানে আমি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। দলের নমিনেশন চাওয়া আমার কোন বিলাসিতা নয় এটা আমার অধিকার। আপনি যদি শ্রম দেন তাহলে আপনি অবশ্যই মজুরি পাবেন। দেখেন দুঃসময়ে আমি দলের সাথে ছিলাম, দলের জন্য কাজ করেছি, নমিনেশনে ও আমি অগ্রাধিকার পাবো, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

খবরবেলা: মনোনয়ন পেলে আপনি কচুয়ার মানুষকে কিভাবে আশ্বস্ত করতে চান?

হাবীবুল বাশার: আমি এখন কচুয়ার মানুষের জন্য কাজ করছি, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার জন্য, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কাজ করার চেষ্টা করছি এবং যতটুকু সম্ভব এনে দিচ্ছি। দেখেন, কচুয়ার মানুষ রাজনীতিবিদদের কাছে টাকা পয়সা চায়না, তারা একটু শান্তিতে বসবাস করতে চায়, আপনাকে জনগণের পাল্স বুঝতে হবে। আপনি যদি তাদেরকে ন্যায় বিচার বা তাদের মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে পারেন, তাহলে তারা আপনার জন্য সব করবে, এই বিশ্বাস রাখতে হবে।

তারা মারামারি হানাহানি পছন্দ করে না এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে, এক কথায় আমি ৩১ দফাকে সনদ হিসেবে কচুয়ায় কাজে লাগাতে চাই।

খবরবেলা: আপনি যদি জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এমপি হতে পারেন তাহলে কি কি উন্নয়ন করবেন?

হাবীবুল বাশার: আমি এমপি হলে কচুয়ার মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবো, মানুষ চায় ন্যায় বিচার যা এখন অনুপস্থিত। থানা বলেন, সালিশ বলেন,সব খানে। আমি চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি, পরিবেশ এবং ব্যাবসা বান্ধব একটা ন্যায় ভিত্তিক আধুনিক কচুয়া গড়ব, ইনশাআল্লাহ।

খবরবেলা: কচুয়ার তরুন ভোটারদের উদ্দেশ্য আপনার বক্তব্য কি-?

হাবীবুল বাশার: দেখেন, বিএনপি ক্ষমতায় নেই আজকে ২০ বছর, আজকে যারা তরুণ ভোটার তাদের জন্মের আগে বিএনপি ছিল, তারা আওয়ামী লীগের দুঃশাসন দেখেছে বিএনপির শাসন দেখেনি, বিএনপির ৩১ দফার ২৩ এবং ২৫ নম্বর দফায় তাদের জন্য বাস্তব এবং কর্মমুখী কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদেরকে বেকারত্ব মুক্ত করা এবং যারা প্রবাসে যাবে তাদের প্রশিক্ষণ ব্যাবস্থা করা। কারণ তারা আগামীর বাংলাদেশকে যার যার অবস্থান থেকে নেতৃত্বদিবে। তাদের বিদেশে যাওয়ার জন্য বিশেষ ঋণের ব্যাবস্থা করা।

খবরবেলা: শেষ প্রশ্ন – কচুয়া কে নিয়ে আপনার আগামী দিনের ভাবনা কি?

হাবীবুল বাশার: আমি কচুয়ার সন্তান, আমি কচুয়াকে লালন করি, আমি কচুয়ার মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। আমি রাজনৈতিকভাবে এই কাজ গুলো করতে চাই “কচুয়া উন্নয়ন রূপরেখা” তৈরি করব— যা হবে জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে, কাগজে নয়, বাস্তবে কার্যকর হবে।

এক কথায়- আমি সারাজীবন কচুয়ার সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশে থাকতে চাই।

পবিপ্রবির ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনে বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম

পবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
পবিপ্রবির ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনে বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ছয় সদস্যের একটি টেকনিক্যাল টিম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পবিপ্রবি কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার রাওসাব তিমামের নেতৃত্বে টেকনিক্যাল টিমটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে।

এ সময় টিমের সদস্যরা পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনের উদ্দেশ্যেই বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিমের এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত Rabbi's News


শীর্ষ সংবাদ:
পবিপ্রবির ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনে বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম চবিতে কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ, ৩ জনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন, কমেছে গ্যাসের সরবরাহ বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মালয়েশিয়াকে আহ্বান ডিসিসিআই সভাপতির জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি গণঅধিকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ডিসেম্বরে হরতালের হুঁশিয়ারি জেডিপির চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে মতামত নেওয়া হবে অংশীজনদের জাপান-বাংলাদেশ চেম্বারের নতুন সভাপতি কাজুউকি কাতাওকা, মহাসচিব রাবিউল আলম এপোক্সাইড রেজিনের নামে প্রস্তুত আঠা, বেনাপোলে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা চবিতে ৫০০ বৃক্ষ বিতরণ, প্রয়াত অনিককে স্মরণ ফরিদগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রিমন গ্রেপ্তার শাহরাস্তি শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজে একাদশের উদ্বোধনী ক্লাস শাহরাস্তিতে বেরনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন স্থগিত ১৮তম বিজিএস-এ ববির তিন শিক্ষার্থী সিভিল জর্জ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত পবিপ্রবিতে মার্কেটিং ক্লাবের আয়োজনে মার্কেটিং বিস কেস কম্পিটিশন কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত চবিতে ৫ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর উদ্যোগ অথেন্টিক ফাউন্ডেশনের শাহরাস্তিতে অবৈধ মাটি কাটায় ২ লাখ টাকা জরিমানা বেরোবি ও জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত কুবিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘আনোয়ার মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’