খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেই চোখের আলো, তবুও থেমে নেই রাবির দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা

জিয়াউর রহমান, রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
নেই চোখের আলো, তবুও থেমে নেই রাবির দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা

চার বছর পরপর বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় কোটি কোটি মানুষ যখন এলইডি স্ক্রিন, মোবাইল কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখেন, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিশ্বকাপ দেখার অভিজ্ঞতা হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন। চোখে খেলা দেখতে না পারলেও ধারাভাষ্য, বন্ধুদের বর্ণনা, দর্শকদের উল্লাস আর কল্পনার রঙে তারাও গড়ে তোলেন নিজেদের এক অনন্য ফুটবল-জগৎ।

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ১১ জুন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিন দেশ যৌথভাবে আয়োজন করছে এবারের বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ১৯ জুলাই ফাইনালের মধ্য দিয়ে। ৪৮ দল নিয়ে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক উন্মাদনা। সেই উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই রাবির দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীরাও।

অন্যান্য শিক্ষার্থীরা যখন রাত জেগে ফুটবল দেখেন, তখন দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের কাছে ফুটবল খেলা নিছক দৃশ্যমান কোনো বিনোদন নয় বরং এটি শব্দ, উত্তেজনা ও আবেগের এক দারুণ মিলনমেলা। তাদের কাছে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি আবেগ, উত্তেজনা ও অংশগ্রহণের অনুভূতি। টেলিভিশনের দৃশ্য কিংবা জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখতে না পারলেও তারা রেডিও, টিভির ধারাভাষ্য কিংবা মোবাইলের লাইভ অডিও শুনে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত কল্পনায় আঁকেন।

“মনের চোখে পুরো খেলাটা কল্পনা করি”

ইতিহাস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাইম হোসেন বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই ফুটবল অনুসরণ করি। তখন রেডিওতে ধারাভাষ্য শুনতাম, এখনো ইংরেজি ধারাভাষ্য শুনেই খেলা উপভোগ করি। আমার কাছে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি কল্পনার এক জগৎ। ধারাভাষ্য শুনে আমি মনের চোখে কল্পনা করি ফ্রি-কিক কীভাবে নেওয়া হচ্ছে, খেলোয়াড়রা কীভাবে পাস দিচ্ছে, আক্রমণ গড়ে তুলছে বা রক্ষণ সামলাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। আর্জেন্টিনার কোনো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আমি মিস করি না। আমার দৃষ্টিশক্তি নেই, কিন্তু ফুটবল উপভোগ করার ক্ষেত্রে এটিকে কখনো বাধা মনে করি না। কারণ আমি মনের চোখে পুরো খেলাটাই কল্পনা করে দেখতে পাই। বিশেষ করে গোল হওয়ার আগে ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠে যখন উত্তেজনা বাড়তে থাকে, তখন মনে হয় যেন আমিও মাঠের গ্যালারিতে বসে আছি।”

“চোখের সীমাবদ্ধতা নয়, ফুটবলের
ভালোবাসাই আমার বিশ্বকাপ দেখার শক্তি”

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ওসামা হোসেন নাহিদ বলেন, “আমি চোখে খুব বেশি দেখতে পাই না, তবে কিছুটা দৃষ্টি রয়েছে। পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করে খেলা দেখার চেষ্টা করি। অনেকেই মনে করেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বিশ্বকাপ উপভোগ করা কঠিন, কিন্তু আমার কাছে ফুটবল শুধু দেখার বিষয় নয়, অনুভব করার বিষয়।

তিনি বলেন, খেলা ভালোভাবে দেখতে প্রতিটি ম্যাচ শুরুর এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে বড় পর্দার সামনে গিয়ে বসি। সামনের দিকে জায়গা নেওয়ার চেষ্টা করি, যাতে মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত যতটা সম্ভব উপভোগ করতে পারি। আমার আবেগ, আনন্দ বা উত্তেজনা অন্যদের মতোই। ফুটবল আমাকে আনন্দ দেয় এবং সবার সঙ্গে একাত্ম হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, আমি ব্রাজিলের সমর্থক। এবারের বিশ্বকাপে প্রিয় দল বিদায় নেওয়ায় কষ্ট পেয়েছি। তবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা কমেনি। যারা ভালো খেলেছে এবং পরবর্তী ধাপে উঠেছে, তাদের অভিনন্দন জানাই। আমার কাছে ফুটবল শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগ ও মিলনের একটি উৎসব। আমি বিশ্বাস করি, চোখের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু ভালোবাসা ও অনুভূতির কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।”

“চোখে নয়, হৃদয়ের ক্যানভাসেই বিশ্বকাপ দেখি”

একই বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, “আমার দৃষ্টির সীমাবদ্ধতা কখনো এই খেলার প্রতি আমার ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারেনি। আমরা যারা পুরোপুরি পরিষ্কারভাবে চোখে দেখতে পাই না, আমাদের কাছে ফুটবল খেলাটি ধরা দেয় শব্দের ছন্দে, ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠের উত্তেজনায় এবং চারপাশের দর্শকদের উল্লাসে। রেফারির বাঁশি, গ্যালারির গর্জন আর বলের শব্দ শুনেই আমরা মনের ক্যানভাসে পুরো স্টেডিয়ামের একটা ছবি এঁকে ফেলি। একটি গোল যখন হয়, তখন সেই আনন্দের কম্পন আমরাও সমানভাবে অনুভব করি।

তিনি বলেন, আমি একজন আর্জেন্টিনা-সমর্থক হিসেবে ফুটবল নিয়ে আরও বেশি গর্বিত। এই তো সম্প্রতি মিশর এবং আর্জেন্টিনার মধ্যকার রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি উপভোগ করেছি। তবে এত আনন্দের মধ্যেও বুকের মধ্যে একটা শূন্যতা রয়ে যায় যে, কেন এই বিশ্বমঞ্চে আমার প্রিয় মাতৃভূমি নেই। আমি দোয়া করি, হামজা ভাইদের বিশ্বমঞ্চে খুব শিগগিরই দেখব।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা যেন কোনো একক গোষ্ঠীর না হয় বরং আমাদের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্যও যেন শ্রবণনির্ভর বা উপযোগী খেলার পরিবেশ আরও উন্নত করা হয় সেটিই আমার অন্যতম প্রত্যাশা। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ফুটবল আমার কাছে একটি সার্বজনীন ভাষা, যা অন্ধকারের দেয়াল ভেঙে আমাদের মনের ভেতর আনন্দের আলো ছড়িয়ে দেয়।”চোখে না দেখেও বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হই”

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলিফ বলেন, “আমি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় মাঠে বা টেলিভিশনে ফুটবল ম্যাচ স্পষ্টভাবে দেখতে অনেক কষ্ট হয়। তাই খেলার অনেক মুহূর্ত অন্যদের বর্ণনা বা ধারাভাষ্যের মাধ্যমে বুঝতে হয়। তারপরও ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা কমেনি। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এলাকায় আর্জেন্টিনার সমর্থক বেশি ছিল। তাদের ট্রলের জবাব দিতেই আমি ব্রাজিলকে সমর্থন করা শুরু করি।

তিনি বলেন, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা। হামজা চৌধুরী ও জামাল ভূঁইয়াদের মতো খেলোয়াড়দের দেখে মনে হয়, বাংলাদেশ একদিন অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলবে। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১–০ গোলের জয় আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ফুটবল মুহূর্তগুলোর একটি।”

মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাবরিনা সুলতানা বলেন, “ফুটবল মূলত একটি দৃশ্যনির্ভর খেলা। তাই যাদের দৃষ্টিশক্তি নেই, তারা অন্যদের মতো সরাসরি খেলা দেখতে পারেন না। তবে তারা বন্ধুদের বর্ণনা, দর্শকদের উচ্ছ্বাস এবং ধারাভাষ্য শুনে খেলার আনন্দে অংশগ্রহণ করেন ও ম্যাচটি কল্পনার মাধ্যমে উপভোগ করেন। বর্তমানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ফুটবলকে আরও সহজে দেখার বা অনুভব করার মতো কোনো বিশেষ প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, সে সম্পর্কে আমার জানা নেই।”

তবে প্রযুক্তির আরও উন্নয়ন হলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দর্শকদের জন্য খেলা উপভোগ করা সহজ হবে বলে মনে করেন তারা। বিশেষ করে অডিও ডিসক্রিপশন সুবিধাসহ সরাসরি সম্প্রচার চালু হলে মাঠের দৃশ্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপ ফুটবল প্রমাণ করে, খেলার আনন্দ কেবল চোখে দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অনুভূতি, কল্পনা এবং ভালোবাসা দিয়েও ফুটবলের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা যায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন এই শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা সেই সত্যকেই নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

লিডারস প্রোগ্রাম সম্পন্ন করলেন সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান তুহি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
লিডারস প্রোগ্রাম সম্পন্ন করলেন সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান তুহি

তৌহিদুর রহমান তুহি। ছবি-সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ‘দ্য অ্যাস্পায়ার লিডারস প্রোগ্রাম’ (The Aspire Leaders Program) সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন এটিএন বাংলার রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান তুহি। এ উপলক্ষে তিনি প্রোগ্রামটির সনদও পেয়েছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতৃত্বের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রোগ্রামে বিভিন্ন দেশের প্রায় এক হাজার তরুণ-তরুণী অংশ নেন। সরকারি-বেসরকারি খাত, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন পেশার সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এতে।

প্রোগ্রামটিতে কৌশলগত নেতৃত্ব, জটিল নীতি নির্ধারণ, সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণ ও শেখার সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করার অনুভূতি জানিয়ে তৌহিদুর রহমান তুহি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচিতে শেখার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও অর্থবহ। সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নেতৃত্ব বিকাশের এই লব্ধ জ্ঞান ভবিষ্যতে আমার পেশাগত কাজ ও সমাজ উন্নয়নমূলক ভাবনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপকদের দিকনির্দেশনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই নেতৃত্ব প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার শেখার পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা ভবিষ্যতে জলবায়ু, পরিবেশ ও সামাজিক নীতি নিয়ে পেশাগত সাংবাদিকতায় কাজে লাগাতে চাই।’

দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত তৌহিদুর রহমান তুহি। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সম্মেলন ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এসব আয়োজনে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করেছেন তিনি।

সম্প্রতি নেপালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক জলবায়ু ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ডেলিগেট হিসেবে অংশ নেন তুহি। জলবায়ু, পরিবেশ ও সামাজিক নীতিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সাংবাদিকতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনে তিনি কাজ করছেন।

এম/আর

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত Rabbi's News


শীর্ষ সংবাদ:
লিডারস প্রোগ্রাম সম্পন্ন করলেন সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান তুহি পবিপ্রবির ইউনিভার্সিটি স্কয়ারে যুদ্ধবিমান পুনঃস্থাপনে বিমানবাহিনীর টেকনিক্যাল টিম চবিতে কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে ছাত্রশিবিরের প্রতিবাদ, ৩ জনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন, কমেছে গ্যাসের সরবরাহ বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মালয়েশিয়াকে আহ্বান ডিসিসিআই সভাপতির জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি গণঅধিকারের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ডিসেম্বরে হরতালের হুঁশিয়ারি জেডিপির চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রোডম্যাপ তৈরিতে মতামত নেওয়া হবে অংশীজনদের জাপান-বাংলাদেশ চেম্বারের নতুন সভাপতি কাজুউকি কাতাওকা, মহাসচিব রাবিউল আলম এপোক্সাইড রেজিনের নামে প্রস্তুত আঠা, বেনাপোলে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা চবিতে ৫০০ বৃক্ষ বিতরণ, প্রয়াত অনিককে স্মরণ ফরিদগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রিমন গ্রেপ্তার শাহরাস্তি শাহশরীফ ডিগ্রি কলেজে একাদশের উদ্বোধনী ক্লাস শাহরাস্তিতে বেরনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন স্থগিত ১৮তম বিজিএস-এ ববির তিন শিক্ষার্থী সিভিল জর্জ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত পবিপ্রবিতে মার্কেটিং ক্লাবের আয়োজনে মার্কেটিং বিস কেস কম্পিটিশন কুবিতে গবেষণা বিষয়ক ‘আনোয়ার হোসাইন মেমোরিয়াল গণিত সেমিনার’ অনুষ্ঠিত চবিতে ৫ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর উদ্যোগ অথেন্টিক ফাউন্ডেশনের শাহরাস্তিতে অবৈধ মাটি কাটায় ২ লাখ টাকা জরিমানা বেরোবি ও জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত