ফয়জুল করীমকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পরিণতি ভালো হবে না: গাজী আতাউর রহমান
গাজী আতাউর রহমান। ছবি- সংগ্রহিত
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন অগ্রণী নেতা। তাকে হয়রানি ও মামলার লক্ষ্যবস্তু বানানোর পরিণতি ভালো হবে না।
বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। তার দাবি, মামলার বাদী অতীতে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সরকার পরিবর্তনের পর নিজেকে যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা তাকে যুবদলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গাজী আতাউর রহমান অভিযোগ করেন, পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মুফতি ফয়জুল করীমকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তিনি বলেন, সাবেক যুবলীগ-সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে একজন জাতীয় নেতার বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা গ্রহণের বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলামের ভূমিকাও তদন্তের দাবি জানান। তার ভাষ্য, একজন জাতীয় নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএনপি বা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে তারা মনে করেন না। তবে যেহেতু বিএনপির পরিচয়ে একজন ব্যক্তি মামলা করেছেন এবং সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ তা গ্রহণ করেছে, তাই বিষয়টির সমাধানের দায়িত্বও সরকারকেই নিতে হবে।
ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার, মামলার বাদী ও অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়া তদন্ত এবং কোনো ষড়যন্ত্র বা ফ্যাসিবাদের দোসরদের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয় তা তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টির দ্রুত সমাধান হবে। অন্যথায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে অপতৎপরতার পরিণতি কারও জন্যই ভালো হবে না।
এম/আর








আপনার মতামত লিখুন